Posts

মুক্তাদী ছূরা ফাতিহা পাঠ না করে নীরবে শুনবে

Image
ইমাম যখন নামাযে কুরআন পাঠ করতে থাকেন তখন মুক্তাদীর কাজ চুপ থাকা? নাকি ইমামের সাথে ছূরা ফাতিহা বা কুরআনের অন্য কোন ছূরা তিলাওয়াত করা। এ বিষয়টি নিয়ে সাহাবায়ে কিরামের যুগ থেকে অদ্যাবধি আমলের ভিন্নতা চলে আসছে। উভয় আমলের পক্ষেই সাহাবা, তাবিঈন ও উলামায়ে কিরামের অসংখ্য খ্যাতনামা বক্তিবর্ণ অবস্থান নিয়েছেন। বিবাদমান দুটি বিষয়ের মধ্যে হানাফী মাযহাবের উলামায়ে কিরাম ইমামের কুরআন পাঠের সময় মুক্তাদী নিরব থাকার মত গ্রহণ করেছেন। উক্ত মতের দলীলিক ভিত্তি তুলে ধরা হচ্ছে:


আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন: যখন কুরআন পাঠ করা হয় তখন তা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ কর এবং চুপ থাক তাহলে তোমরা রহমত প্রাপ্ত হবে। (ছূরা আরাফ : ২০৪)
হযরত আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ, আব্দুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আবু হুরায়রা ও আব্দুল্লাহ বিন মুগাফফাল রা. বলেন: এ আয়াত নামায ও খুৎবা সম্পর্কে অবতীর্ণ হয়েছে। (ইবনে কাসীর: ২/২৮১) অর্থাৎ খুৎবা চলাকালীন ও নামাযে তিলাওয়াত চলাকালীন চুপ থাকতে হবে এবং শুনতে হবে। ইমাম আহমাদ ইবনে হাম্বাল রহ. বলেন: সমস্ত উম্মত একমত যে, এ আয়াতটি নামাযের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে”। (আল্ মুগনী: ১/৪৯০)। ইমাম ইবনে যরীর তাবারী রহ. তাঁ…

গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন দ্রুত পাওয়ার জন্য - পরীক্ষিত কৌশল!

Image
গুগল অ্যাডসেন্স অনুমোদন, গুগল অ্যাডসেন্স সর্বাধিক অর্থ প্রদান এবং সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য প্রাসঙ্গিক বিজ্ঞাপন প্ল্যাটফর্ম। প্রথমে একমাত্র চ্যালেঞ্জ হ'ল তাদের দ্বারা অ্যাডসেন্স অনুমোদিত করা। অ্যাডসেন্স কীভাবে দ্রুত অনুমোদন  পাবেন তা এখানে আলোচনা করা হলো 👇


আপনি যদি কোনও ব্লগ শুরু করে থাকেন এবং এখন ভাবছেন যে কীভাবে আপনি এটি থেকে নগদ অর্থ উপার্জন করতে পারেন তাহলে আপনি সঠিক জায়গা এসেছেন।

অ্যাডসেন্স আপনাকে যে কোনও ওয়েবসাইট থেকে অর্থোপার্জনে সহায়তা করে যদিও এমন কিছু নিস রয়েছে যা গুগলের দ্বারা অনুমোদিত নয় যা আমি নীচে আলোচনা করেছি।

অ্যাডসেন্স অনুমোদন পাওয়ার জন্য প্রথমে আপনাকে একটি ভালো মানের ব্লগ/ওয়েব সাইট তৈরি করতে হবে আপনি যদি "ওয়ার্ডপ্রেস বা ব্লগের জন্য অ্যাডসেন্স অনুমোদন করাতে চান" তবে এই টিউটোরিয়ালটি অবশ্যই আপনাকে সহায়তা করবে।

লক্ষ লক্ষ পেজ ভিউ সহ আপনার সাইটটি ছোট বা বিশাল কিছু নয়, অ্যাডসেন্স সর্বদা আপনার ওয়েবসাইটে বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য প্রস্তুত কিন্তু এর জন্য আপনাকে তাদের পলিসি মেনে কাজ করতে হবে তাহলেই আপনি  অ্যাডসেন্স পবেন।

এখন আপনার ইনকাম সরাসরি তিনটি বিষয়ের উপর নি…

কম্পিউটার সফটওয়্যার

Image
কম্পিউটারের যে কোন যন্ত্র বা যন্ত্রাংশকেই হার্ডওয়্যার (Hardware) বলা হয়। তেমনি কম্পিউটারে ব্যবহৃত সকল প্রেগ্রাম বা প্রোগ্রাম সমষ্টিকে সফটওয়্যার বলা হয়। সফটওয়্যার (Saftware) হচ্ছে অদৃশ। মানুষের শরীরকে যদি হার্ডওয়্যার ধরা হয়, তাহলে সফটওয়্যার প্রাণ। প্রাণ ছাড়া দেহ যেমন কিছুই করতে পারে না তেমনি সফটওয়্যার ছাড়া কম্পিউটারের যন্ত্রাংশ অর্থাৎ হার্ডওয়্যারও কিছুই করতে পারে না। সফটওয়্যার প্রধানত দুই ধরণের। এর একটিকে বলা হয় অপারেটিং সফটওয়্যার বা সিস্টেম সফটওয়্যার যাহা কম্পিউটার চালনার জন্য প্রযোজ্য। যেমন- ডস, উইন্ডোজ, লিন্যাক্স, ইউনিক্স ইত্যাদি। অন্যটি হল এ্যাপ্লিকেশন সফটওয়্যার বা ব্যবহারিক সফটওয়্যার। যেমন এম এস ওয়ার্ড, এক্সেল, একসিস ইলাস্ট্রেটর ইত্যাদি। বর্তমানে ব্যাংক, বীমা, বিদ্যুৎ অফিস, রেলওয়ে, বিমান ইত্যাদিতে প্রোগ্রামার দ্বারা সফটওয়্যার তৈরি করে কার্য পরিচালনা করা হয় ।


অপারেটিং সিস্টেম Operating System

অপারেটিং সিস্টেমঃ
কম্পিউটার পরিচালনার জন্য ব্যবহৃত হার্ডওয়্যারের সাথে অন্যান্য সফ্টওয়্যারের সমন্বয় সাধনের উপাদান হচ্ছে অপারেটিং সিস্টেম। হার্ডওয়্যারের সাথে সমন্বয় করে…

ছুটে যাওয়া নামায ধারাবাহিকভাবে আদায় করা

Image
হযরত জাবের রা. বলেন: হযরত উমার রা. খন্দকের দিন যুদ্ধে অংশগ্রহণকারী কুরাইশ কাফিরদেরকে গালমন্দ করতে লাগলেন এবং রসূলুল্লাহ স.কে বললেন: ইয়া রসূলাল্লাহ! আমি সূর্যাস্তের পূর্বে আসরের নামায পড়তে পারিনি। রসূলুল্লাহ স. বললেন: আমিও পড়িনি। হযরত জাবের রা. বলেন: অতঃপর আমরা বুতহান নামক স্থানে গেলাম। সেখানে রসূলুল্লাহ স. নামাযের জন্য অযু করলেন এবং আমরাও অযু করলাম। এরপর তিনি সূর্যাস্তের পর আসরের নামায আদায় করে তারপর মাগরিবের নামায পড়লেন। (বুখারী: ৫৭১) শাব্দিক কিছু তারতম্যসহ এ হাদীসটি মুসলিম, তিরমিযী এবং নাসাঈ শরীফেও বর্ণিত হয়েছে। (জামেউল উসূল-৩২৫৭)।


সারসংক্ষেপ : আসরের ওয়াক্ত পেরিয়ে সূর্য ডুবে যাওয়ার পরে আসর পড়ার দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, নামাযের ওয়াক্ত পেরিয়ে গেলেও তার কাযা করা জরুরী। মাগরিবের ওয়াক্ত হওয়া সত্ত্বেও রসূলুল্লাহ স. আগে আসরের নামায পড়েছেন অথচ ওই ওয়াক্তের নামায আগে আদায়ের ব্যাপারে অগ্রগণ্য হওয়ার কথা। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, কাযা আদায়ের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা রক্ষা করাও জরুরি।

হযরত আব্দুল্লাহ বিন মাসউদ রা. থেকেও হাসান সনদে খন্দকের যুদ্ধে নামায কাযা হয়ে যাওয়র উক্ত হাদীসটি বর্ণিত…

মুসলিম উম্মাহ’র প্রতি উদাত্ত আহ্বান

Image
আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন! মুহাজির এবং আনসারগণের মধ্যে যারা প্রবিণ ও অগ্রগন্য আর যারা যথাযোগ্যভাবে তাঁদের অনুসরণ করেছে আল্লাহ তাআলা তাদের প্রতি সন্তুষ্ট এবং তারাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট। আর তাদের জন্য এমন জান্নাত প্রস্তুত রেখেছেন যার তলদেশ দিয়ে প্রস্রবণসমূহ প্রবাহিত। সেখানে তারা চিরকাল থাকবে। এটাই হলো মহা সফলতা। (ছুরা তাওবা: ১০০)


এ আয়াত থেকে প্রমাণিত হয় যে, কিয়ামত পর্যন্ত আগত উম্মতের সফলতা সাহাবায়ে কিরামের অনুকরণের মধ্যে রয়েছে। পরকালীন সফলতার জন্য আমাদের উচিত হবে সর্বক্ষেত্রে সাহাবায়ে কিরামের পদাঙ্ক অনুসরণ করা।
কুরআন-হাদীসের মাসআলা বুঝার ক্ষেত্রে যেভাবে বর্তমান সময়ে উলামায়ে কিরামের মধ্যে মতানৈক্যের সৃষ্টি হয় এভাবে মুজতাহিদ ইমামগণ, তাবিঈ, তাবে তাবিঈ এমনকি সাহাবায়ে কিরামের মধ্যেও মতবিরোধ সৃষ্টি হতো। উদাহরণ হিসেবে আগত হাদীসটির প্রতি লক্ষ্য করুন: হযরত রসূলুল্লাহ স. খন্দকের যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে বললেন, সকলেই আসর পড়বে বনী কুরায়যায় গিয়ে। পথিমধ্যে আসরের ওয়াক্ত হয়ে গেলো। কেউ কেউ বললেন, আমরা বনী কুরায়যায় না গিয়ে নামায পড়বো না। আবার অন্যরা বললেন, আমরা বরং নামায পড়ে নিবো। কারণ রসূ…

এমন লিংক আছে ক্লিক করলেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে!

Image
আমরা কম বেশি অনেকেই জানি ফিশিং লিংক দিয়ে আইডি হ্যাক করা যায়। যেমন হ্যাকাররা বিভিন্ন মাধ্যমে ফিশিং লিংক সেন্ড করে যেইটা দেখতে ওরিজিনাল সোশ্যাল লিংক এবং একাউন্টের মত মনে হলেও কিন্তু সেইটা হ্যাকারদের তৈরি করা সাইট, যেটা অনেকেই বুঝতে পারেনা।


আর এখানে যদি আপনার আইডি পাসওয়ার্ড দেন তাহলে সেটি চলে যাবে হ্যাকারের কাছে। আমরা ৯৫℅ এর বেশি মানুষ আসলে জানি না যে এই লিংক দিয়ে আরও কতকিছু করা সম্ভব সো বন্ধুরা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করবো যে শুধু আইডি পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়া ছাড়াও আরও কতকিছু করা সম্ভব আমরা যারা অনলাইনে ছোটবড় এবং কমবেশি কাজ করে থাকি সকলেরই জানা প্রয়োজন।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট হ্যাকঃ

আমরা প্রায় শুনে থাকি যে হ্যাকার মেসেঞ্জারে বা স্টাটাস এর মাধ্যমে বিভিন্ন লভনীয় ওফার দেখিয়ে ওই লিংকে ক্লিক করে ঢুকার কথা বলবে এবং এখানে ফেসবুক বা অন্য সোশ্যাল মিডিয়ার আইডি পাসওয়ার্ড দেওয়ার অপশন আসবে আর আপনি এখানে ভুল বাসতো তথ্য দিলেই সেটা চলে যায় হ্যাকারের কাছে।

জিপি এস লোকেশন হ্যাক হওয়ার কারণঃ

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেননা  লিনাক্স ব্যবহার করার মাধ্যমে এইরকম বিভিন্ন সাইট তৈরি করে হ্যাকাররা সাইটের লিংক তাদের ট…

ফরয নামাযের পরে সম্মিলিত দুআ

Image
হযরত আবু হুরাইরা রা. থেকে বর্ণিত, রসূলুল্লাহ স. সালাম ফিরানোর পরে কিবলামুখী হয়ে হাত উত্তোলন করে বললেনঃ হে আল্লাহ! আপনি মুক্তি দিন ওয়ালীদ বিন ওয়ালীদকে, আইয়াশ বিন আবী রবীআকে, সালামা বিন হিশামকে এবং সে সব দুর্বল মুসলমানদেরকে যারা কাফিরদের হাত থেকে মুক্তির কোন পথ বা পন্হা খুঁজে পায় না। (তাফসীরে আবু হাতিম: ছূরা নিসা:৯৮, হাদীসঃ (৫৯০৬)


হাদীসটির স্তর :  সহীহ। এ কিতাবের লিখক আবু হাতেম প্রসিদ্ধ হাফেজে হাদীস (তাকরীব-৬৪১৬)। তিনি এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন বুখারী/মুসলিমের রাবীদের মাধ্যমে।

সারসংক্ষেপঃ এ হাদীস দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, রসূলুলাহ স. নামাযের পরে কিবলামুখী হয়ে হাত উত্তোলন করে দুআ করেছেন। সুতরাং নামাযের পরে এভাবে দুআ করা সুন্নাত।

ফায়দাঃ রসূলুল্লাহ স.-এর সাথে সাহাবায়ে কিরামও দুআয় শরিক হয়েছিলেন কি না তা এ হাদীসে স্পষ্টভাবে বর্ণিত হয়নি। তবে সম্মিলিত দুআর প্রতি রসুলুল্লাহ স.-এর নির্দেশ, (মুসনাদে আহমাদ-১৭১২১) আল্লাহ তাআলা সম্মিলিত দুআ কবুল করে থাকেন মর্মে ঘোষণা প্রদান করে উক্ত আমলের প্রতি সাহাবায়ে কিরামকে উৎসাহিত করা (তবারানী কাবীর:৩৪৫৬, মুসতাদরাকে হকেম: ৫৪৭৮, মাজমাউয যাওয়ায়েদ: ১৭৩৪৭) এবং…