ক্লাউড হোস্টিং Vs শেয়ার্ড হোস্টিং বা ট্র্যাডিশনাল হোস্টিং | আপনার জন্য কোনটি সর্বোত্তম?

0

ওয়েব হোস্টিং অনেক্ষেত্রে একটি জটিল বিষয় কেননা অনলাইনে ওয়েব হোস্টিং বিষয়ে আপনি বহু অপশন এবং সার্ভিস খুঁজে পাবেন; আর এসব অপশন এবং সার্ভিসেস এর ভিড়ে আপনার ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নেয়াও অস্বাভাবিক কিছু নয়। আপনি ওয়েব হোস্টিং এর নানা অপশন এর ভিড়ে হারিয়ে যেতেই পারেন, তবে আগে থেকে এসকল একটা স্পষ্ট ধারনা থাকলে আপনিও আপনার জন্য সহজেই সঠিক ওয়েব হোস্টিং সার্ভিসটি বেছে নিতে পারবেন। কোনো কাজে বিশেষ করে ওয়েবসাইট তৈরির ক্ষেত্রে যখন আমাদের ওয়েব হোস্টিং দরকার পরে; তখন অনেকের অন্যতম চিন্তার কারন হয়ে দাড়ায় শেয়ার্ড হোস্টিং তথা ট্র্যাডিশনাল হোস্টিং প্লান ব্যবহার করব, নাকি আধুনিক ক্লাউড হোস্টিং !!!

এই ক্লাউড হোস্টিং এবং ট্র্যাডিশনাল শেয়ার্ড ওয়েব হোস্টিং নিয়ে প্রশ্ন ১৯৯৬ সাল থেকে, যেদিন থেকে এই ক্লাউড হোস্টিং প্রযুক্তি আমাদের মাঝে পরিচিত হয়েছে। আপনি যদি এ জগতে নতুন কেউ হয়ে থাকেন; তবে ক্লাউড হোস্টিং এবং শেয়ার্ড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে বাহ্যিকভাবে অনেকক্ষেত্রে হয়ত ওয়েবসাইটের পারফর্মেন্সে কোন অমিল বুঝতে পারবেন না ; তবে এসবের ভিতরে লুকিয়ে অনেক টেকনিক্যাল বিষয়াবলী, যা আপনাকে ক্লাউড না শেয়ার্ড এর মত ট্র্যাডিশনাল হোস্টিং এই দুটির বিষয়ে সিদ্ধান্ত শক্ত করতে সহায়তা করবে।

ক্লাউড হোস্টিং সার্ভিস মূলত আপনাকে একটি ভার্চুয়াল সার্ভার প্রদান করে ; আর সেই ভার্চুয়াল সার্ভারটি তার ভেতর থাকা কম্পিউটার রিসোর্স, নেটওয়ার্ক এর ভেতর সংযুক্ত থাকা অনেকগুলো ফিজিক্যাল ওয়েব সার্ভার থেকে সংগ্রহ করে থাকে; আর জরুরি নয় এসব ফিজিক্যাল ওয়েব সার্ভার কোন একটি ডাটাসেন্টার এর হবে, এটি পৃথিবীর যেকোনো দেশে অবস্থিত যেকোনো ডাটাসেন্টার এর ফিজিক্যাল ওয়েব সার্ভার গুচ্ছ হতে পারে । এখানে একজন ক্লায়েন্ট তার ওয়েবসাইট বা ওয়েব অ্যাপলিকেশন এর জন্য ঠিক যে পরিমান রিসোর্স চায়, ক্লাউড হোস্টিং সার্ভিস থেকে সে ঠিক সে পরিমান রিসোর্সই নিতে পারবে, এবং যা ব্যাবহার করবে ঠিক তার বিলই দিতে পারবে। অনেকক্ষেত্রে ঠিক যা লাগে তা পাওয়া যায় বলে অতিরিক্ত টাকা এখানে খরচ হয় না। ওয়েবসাইট এবং ওয়েব অ্যাপলিকেশন এর জন্যে ঠিক যে পরিমান কম্পিউটিং রিসোর্স প্রযোজন তা খুব সহজে প্যাকেজ কেনার আগে এখানে সিলেক্টেড করে নেয়া যায়,যার ফলে বহু মানুষের ওয়েব হোস্টিং এর জন্য একমাত্র পছন্দ হলো ক্লাউড হোস্টিং । যেমন: গুগল ক্লাউড প্লাটফর্ম, অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস।

অন্যদিকে ট্র্যাডিশনাল ওয়েব হোস্টিং বা শেয়ার্ড ওয়েব হোস্টিং হল বর্তমান সময়ে সবচাইতে বেশি ব্যবহৃত ওয়েব হোস্টিং সার্ভিস। আর যার মূল কারন হল এর দাম ; সাশ্রয়ী ওয়েব হোস্টিং এর কথা বলতে গেলে সর্বপ্রথম এইসব শেয়ার্ড হোস্টিং সহ নানারকম ট্র্যাডিশনাল ওয়েব হোস্টিং এরই নাম আসে। তাছাড়াও ট্র্যাডিশনাল ওয়েব হোস্টিং এর ভেতর আরও পরে সেগুলো হলঃ ভিপিএস হোস্টিং, ডেডিকেটেড সার্ভার হোস্টিং ইত্যাদি।

আপটাইম
শেয়ার্ড হোস্টিং বা ট্র্যাডিশনাল হোস্টিং ক্ষেত্রে আপনি সবসময় একটি জিনিস লক্ষ্য করে দেখবেন যে, কোম্পানিরা বা প্রভাইডারেরা সবসময় উল্লেখ করে ৯৯% বা ৯৯.৯৯% সার্ভার আপটাইম। যেহেতু শেয়ার্ড হোস্টিং এ একটি সার্ভার এর ওপর ভিত্তি করে অনেকগুলো ওয়েবসাইট থাকে। তাই যদি যেকোন একটি ওয়েবসাইট অতিরিক্ত ভিজিটর এর কবলে পরে, তবে তার খারাপ ইফেক্ট সার্ভারটিতে হোস্ট করা অন্যসব সাইটের উপরও পড়বে। আর এতে দেখা যাবে যে, আপনার হোস্ট করা সাইটও ডাউনটাইমের শিকার হয়েছে।

অন্যদিকে ক্লাউড হোস্টিং এর ক্ষেত্রে মানসম্মত কিছু হোস্টিং প্রোভাইডার আছে, যেমনঃ অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস, গুগল ক্লাউড প্লাটফর্ম, মাইক্রোসফট অ্যাজার, বা আলিবাবা ক্লাউড — এরা ১০০% পর্যন্ত আপটাইম নিশ্চিত করে থাকে ; কারন ক্লাউডে কোনো কারনে রিসোর্স এর সংকট হওয়ার কোনো সুযোগই নেই। ক্লাউড হোস্টিং ক্লাসটার্ড ওয়েব হোস্টিং এর মতই। যার ফলে হয়কি আপনার ওয়েবসাইটটি কোনো একটি ফিজিক্যাল সার্ভার এর ওপর থাকেনা। ধরুন আপনি ওয়েবসাইট তৈরি করলেন আমেরিকা থেকে, তবে বাংলাদেশের বা ভারতের কোনো ভিজিটর আপনার ওয়েবসাইটে ঢুকলে সে তা দেখতে পারবে হয়ত ভারতের কোনো ডাটা সেন্টার থেকে।

এখানে আপনার ওয়েবসাইট হয়ত আপনি কোনো একটি দেশের ডাটা সেন্টারে খুলেছেন ; তবে আপনার ওয়েবসাইট এর ইমেজ আপনার সার্ভিস প্রোভাইডারের যতগুলো ডাটাসেন্টার রয়েছে সবগুলোতেই থাকবে। সুতরাং ব্যাপারটা আপনার কাছে অনেকটা সিডিএন এর মতও সুবিধা দিবে। যেখানে ট্র্যাডিশনাল হোস্টিং এ কোনো কারনে আপনার হোস্টেড সার্ভারের সমস্যা হবে বা সে সার্ভারে চাপ পড়লে হোস্টেড সকল ওয়েবসাইট এর ওপর তার খারাপ প্রভাব পড়বে; ঠিক তার বিপরীত দিকে ক্লাউড হোস্টিং এ ব্যাপারটি পুরোপুরিভাবে ভিন্ন। যদি কোনোকারনে এখানে একটি সার্ভারের সমস্যা হয়, তবে আপনার চিন্তার কোনো কারন নেই। আপনার ওয়েবসাইটটি সারা পৃথিবীর নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকা অন্য কোনো ডাটাসেন্টার বা সার্ভার থেকে সার্ভ করা হবে আপটাইম নিয়ে আপনাকে ভাবতেই হবেনা। আর এ কারনেই ক্লাউড হোস্টিং ১০০% পর্যন্ত আপটাইম নিশ্চিত করে।

সার্ভার স্কেলিং
আপনার ক্লাউড সার্ভার হোস্টিং এ আসার অন্যতম একটি কারন হতে পারে এটি। আপনি হয়ত আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য মাসিক ১০০ জিবি ব্যান্ডউইথ এবং ৫ জিবি স্টোরেজ এর কোনো শেয়ার্ড হোস্টিং প্যাকেজ কিনলেন। তবে মাস শেষে দেখা গেল যে আপনার কেবল ২০ জিবি ব্যান্ডউইথই খরচ হয়েছে। আর এভাবে এখানে আপনার অতিরিক্ত ব্যান্ডউইথ এর পাশাপাশি টাকারও অপচয় হবে। আবার ধরলাম আপনি ডেডিকেটেড সার্ভার হোস্টিং ব্যবহার করছেন ; তবে হঠাত করে দেখা গেলো আপনার সাইটে প্রচুর ট্রাফিক আসছে এবং আপনার ডেডিকেটেড সার্ভারের রিসোর্স তার জন্যে পর্যাপ্ত নয় ; এক্ষেত্রে হয়ত আপনাকে সবকিছু ব্যাকআপ করে নিয়ে নতুন কোনো হাই-স্পেসিফিকেশন ডেডিকেটেড সার্ভার নিতে হবে; না হয় ফিজিক্যালি আপনার সার্ভারের র‍্যাম, হার্ডডিস্ক এসব বাড়াতে হবে যা বলতে গেলে অনেকক্ষেত্রে আমাদের পক্ষে সম্ভব না।

আর ঠিক এখানে এইরকম দুটি বড় বড় সমস্যার সমাধান নিয়ে আপনার সামনে সুপারম্যান হয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিতে পারে ক্লাউড হোস্টিং। আপনার কাছে গুগল ক্লাউড প্ল্যাটফর্ম বা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিস এর সবচাইতে উপকারি যে ফিচারটি লাগতে পারে তা হল ‘পে পার ইউজ’ সুবিধা। আর এই পে-পার-ইউজ সুবিধার কারনে আপনি তথা আপনার ওয়েবসাইট প্রতিমাসে এমনকি প্রতিদিন ঠিক যে পরিমান রিসোর্স খরচ করবে; মাস শেষে কেবল সে পরিমান বিলই আপনাকে পরিশোধ করতে হবে, আর এখন তো গুগল ক্লাউড বা আলাদা ক্লাউড প্রভাইডার গুলো মিনিট বা ঘণ্টা চুক্তিতে ক্লাউড ভাড়া প্রদান করে থাকে, মানে আপনি ১মিনিট সার্ভার ইউজ করে যদি আর সারামাস ইউজ না করেন, সেক্ষেত্রে ১ মিনিটেরই বিল করা হবে।

আর যখন দরকার আসে প্যাকেজ এর রিসোর্স বাড়ানোর তখন তাও করতে পারবেন খুব সহজে। যেহেতু কোনো ফিজিক্যাল সার্ভার নেই; তাই আপনার যত রিসোর্সই লাগুক না কেন; পৃথিবীর নানাপ্রান্তের ডাটাসেন্টারে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য সার্ভার থেকে আপনি আপনার কাঙ্খিত কম্পিউটিং রিসোর্স পাবেনই ; হোক সেটা ১৬ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ কোর সিপিইউ! আপনার যা দরকার ক্লাউড হোস্টিং থেকে আপনি তাই পাবেন ; আর বিলও হবে সেভাবে আপনি মাসে ঠিক যতটুকু ব্যবহার করবেন। এখানে কোনই ফিক্সড প্রাইজ দিয়ে বসে থাকতে হবে না।

কর্মদক্ষতা
আপনার বাসার কোনো চেয়ার আপনি হয়ত একাই নিজে নিজেই তুলে অন্য কোথাও সরিয়ে রাখতে পারবেন। তবে একই কাজ যদি ১০ জন মিলে করে ; সুতরাং ১০ জন মিলে একটি চেয়ার তুলে অন্য কোথাও সরিয়ে রাখল, ব্যাপারটি কতটা মসৃনভাবে সম্পন্ন হবে একটু চিন্তা করে দেখুন। ঠিক একইভাবে ক্লাউড সার্ভারে একইসাথে অনেকগুলো সার্ভার একসাথে কাজ করার জন্য আপনি পান একটি মসৃন পারফর্মেন্স। তাই এখানে ক্লাউড ব্যবহার করার কারনে আপনার ওয়েবসাইট ছোট থেকে অনেক বড় ট্রাফিক ধাক্কা সহ আরও নানারকম প্রতিকূলতা খুব সহজেই নিয়ন্ত্রন করতে পারে। তাছাড়াও ট্রাফিক ডিমান্ড এর ওপর অটোমেটিক সার্ভার স্কেলিং ফিচারটি, ভিজিটর এর আধিক্য এর ওপর ভিত্তি করে সার্ভারের কম্পিউটিং রিসোর্স কম-বেশি করে। আমার মতে বাংলাদেশের শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের রেজাল্ট ওয়েবসাইটগুলো দেশে নিজস্ব সার্ভারে হোস্ট না করে যদি কোনো ভালো ক্লাউড সার্ভার হোস্টিং এ হোস্ট করে ; তাহলে হয়ত পাবলিক পরীক্ষার রেজাল্ট নেয়ার সময় এত ঝামেলা পোহাতে হত না।

নিরাপত্তা
শেয়ার্ড হোস্টিং সার্ভিসেস এর ক্ষেত্রে আপনার ওয়েবসাইট এবং সার্ভার কতটা নিরাপদ তা নির্ভর করে হোস্টিং প্রোভাইডার আপনাকে কি কি সিকিউরিটি ফিচারস দিচ্ছে তার ওপর। নিঃসন্দেহে নামিদামি হোস্টিং প্রোভাইডাররা তাদের শেয়ার্ড হোস্টিং এর গ্রাহকদের সর্বোচ্চ হ্যাকার থেকে সুরক্ষা দেয়ার জন্য তাদের সার্ভারে ফায়ারওয়াল, অ্যান্টিভাইরাস, অ্যান্টি স্প্যাম ইত্যাদি সিস্টেম যুক্ত করে রাখে। তাছাড়াও গ্রাহকদের তাদের ওয়েবসাইট এবং ভিজিটরদের মধ্যে সর্বোচ্চ সুবিধা তথা এনক্রিপশন সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য এসএসএল সার্টিফিকেট তথা টিএলএস সার্টিফিকেট অ্যাড করার সুযোগ করে দেয় ; তাছাড়াও অনেক হোস্টিং প্রোভাইডার ওয়ার্ডপ্রেস সাইটের জন্য নানারকম সিকিউরিটি প্লাগিনসও সাজেশট করে থাকে। ক্লাউড হোস্টিং সার্ভিস প্রোভাইডার পক্ষ থেকেই অনেক নিরাপদ হওয়ার পরেও; ব্যবহারকারী এখানে নিজে থেকে অনেক সিকিউরিটি ফিচারস যুক্ত করতে পারে। এমনকি এখানে চাইলে অনেক বেশি সিকিউরিটি এক্সটেনশন যুক্ত করা যায়, যা অনেকসময় শেয়ার্ড হোস্টিং এ সম্ভব হয় না।

দাম
শেয়ার্ড হোস্টিং সহ অন্যান্য ট্র্যাডিশনাল হোস্টিং এ আপনি দেখতে পারবেন যে এখানে সাধারনত প্রথম থেকে একটি ফিক্সড রিসোর্স এর ওপর প্যাকেজ সেট করা থাকে আপনাকে সেটি হয়ত মাসিক হিসেবে বিল প্রদান করতে হয়। ডেডিকেটেড হোস্টিং এবং ভিপিএস এর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটি একই। এখানে মাসিক বিল পেমেন্ট এর চেয়ে বাৎসরিক বিল প্রদানের ক্ষেত্রেই সাধারনত কাস্টমাররা বেশি লাভবান হয়ে থাকেন। অন্যদিকে ক্লাউড হোস্টিং এর বিলিং সাধারনত হয়ে থাকে পে পার ইউজ বেসিসে ; সুতরাং যেটুকু ব্যবহার সেরকম বিল এর ভিত্তিতে। অনেক সময় ট্রাফিক ডিমান্ডিং এর ওপর অটোমেটিক সার্ভার স্কেলিং ফিচার অন করা থাকলে যে মাসে ট্রাফিক বেশি আসে সে মাসের বিলও বেশি হয়।

আসলে কোন সার্ভিসে আপনার বেশি সুবিধা হবে সেটা নির্ভরশীল আপনার ব্যবহার টাইপের উপরে। মনে করুণ, আপনি সাড়া মাসে মাত্র কয়েক ঘণ্টা সার্ভার ইউজ করবেন, বা আপনার বিশাল ওয়েবসাইট রয়েছে যেখানে অনেক ট্র্যাফিক হ্যান্ডেল করার প্রয়োজন পরে, সেক্ষেত্রে ক্লাউড সার্ভার আপনার জন্য বেস্ট চয়েজ হবে। যদি আপনি কেবল সাইট শুরু করতে চাচ্ছেন, তেমন ট্র্যাফিকও নেই আর জাস্ট শেখার জন্য হয়তো সাইট ওপেন করেছেন, সেক্ষেত্রে শেয়ারড সার্ভার নিতে পারেন।

আরো অনেক ব্যাপার আছে, যেমন শেয়ারড হোস্টিং এ ১০০ এরও বেশি স্ক্রিপ্ট খুবই সহজে এক ক্লিকেই ইনস্টল করা যায় ; যেমন: ওয়ার্ডপ্রেস,জুমলা, সহ আরও নানারকম ইকমার্স স্ক্রিপ্ট ইত্যাদি। তবে ক্লাউড হোস্টিং চালানোর ক্ষেত্রে এ বিষয়ে একটু দক্ষ হতেই হয় ; কেননা এখানে অনেক কিছু ম্যানুয়ালি ইনস্টল করে কাজ করতে হয়। শেয়ার্ড হোস্টিং এর সিপ্যানেল এর মত এটা অতটা সহজ নয়। তাছাড়াও ভালো শেয়ার্ড হোস্টিং প্রোভাইডারেরা যেমন খুব ভালো কাস্টমার সাপোর্ট দেয়; তেমনই কমবেশি সকল ক্লাউড হোস্টিং প্রোভাইডারেরা খুবই উন্নত মানের সাপোর্ট প্রদান করবে।

তবে ভয় পাবারও কিছু নেই, এখন গুগল ক্লাউড বা অ্যামাজন ওয়েব সার্ভিসেস এ যেকোনো টাইপের স্ক্রিপ্ট ইন্সটল করা অনেক সহজ কাজ, জাস্ট ১ ক্লিকেই সব কিছু ইন্সটল করতে পারবেন, স্বয়ংক্রিয় সার্ভার তৈরি হয়ে যাবে। তবে ক্লাউডের ক্ষেত্রে আপনাকে জানতে হবে আসলে আপনি কি করছেন। অনেক ব্যাপার একটু জটিল হতে পারে তবে সাপোর্ট কমিউনিটি বা অনলাইন আর্টিকেল/ভিডিও থেকে অনেক বড় বড় অসুবিধার হাল বের করা সম্ভব হতে পারে।

আশা করি এই আর্টিকেল থেকে ক্লাউড হোস্টিং কি? ক্লাউড হোস্টিং থেকে আপনি কি সুবিধা পেতে পারেন ; সর্বপরি ক্লাউড হোস্টিং আপনার দরকার কিনা তা হয়ত জানতে পেরেছেন। আপনার হয়ত অনেক বড় অনলাইন প্লাটফর্ম রয়েছে; আর আপনি যদি এখানে চান কোনোরকম টেকনিক্যাল ডিফিক্যালিটি না আসুক তবে নিঃসন্দেহে আমার সাজেশন হবে যে আপনি ক্লাউড প্লাটফর্ম ব্যবহার করুন।

About Author

Leave A Reply

Powered by tuneround.com