Posts

Showing posts from April, 2019

বিজ্ঞানের মাপকাঠিতে হাদীস-বিচার | The science of Hadith in Islam.

Image
হদীসের কোন সিদ্ধান্তকে বিজ্ঞানের মাপকাঠিতে বিচার করার চেষ্টা করা হয় নাই। কারণ, সকল বৈজ্ঞানিক মতবাদই যে অভ্রান্ত তাহা নহে; গ্রীক বিজ্ঞানের বহু মতবাদ আজ ভ্রান্ত বলিয়া প্রতিপন্ন হইয়াছে।


খৃষ্টপূর্ব ষষ্ঠ শতাব্দীর গ্রীক বৈজ্ঞানিক পাইথাগোরাস মনে করিতেনঃ পৃথিবীই সূর্যকে কেন্দ্র করিয়া ঘুরিতেছে। খৃষ্টীয় দ্বিতীয় শতাব্দীর মিসরীয় বৈজ্ঞানিক টলেমী বলিলেনঃ পাইথাগোরাসের মত ভ্রান্ত; সূর্যই পৃথিবীর চারিদিকে আবর্তন করিতেছে। দেড় হাজার বৎসর পর্যন্ত এই মতবাদের প্রাধান্য অব্যাহত থাকে। খৃষ্টান জগত ইহাকে ধর্মমত বলিয়াই মনে করিতে থাকে। ইহার বিরোধীদের 'ইনকুইজিশন' আদালতের সম্মুখীন হতে হয়। অতঃপর ষষ্ঠদশ শতাব্দীতে পোল্যান্ডের থর্ন নিবাসী ডাঃ নিকোলাস কোপারনিকাস (মৃঃ ১৫৪৩ খৃঃ) আসিয়া বলেনঃ পাইথাগোরাস ঠিকই বলিয়াছেন; টলেমীর মতই ভ্রান্ত। এভাবে দূর বা অদূর ভবিষ্যতে অপর কেহ আসিয়া কোপারনিকাসের মতকে যে ভ্রান্ত বলিয়া ঘোষণা করিবেন না, তাহা কি কেহ বলিতে পারে ?

বৈজ্ঞানিক গুরু এরিস্টটল মনে করিতেনঃ গ্রহণের গতিপথ বৃত্তাকার। প্রায় দুই হাজার বৎসর যাবৎ এ মতকে অভ্রান্ত বলিয়া মনে করা এইয়াছে। সপ্তদশ শতাব্দীর প্রথম দিকে…

রমাযানে বিতির নামায জামাতে পড়া উত্তম, Beter Namaz.

Image
হযরত উমার রা. উবাই বিন কা'ব ও তামীমে দাৱী রা.-এর ইমামতিতে মানুষকে একত্রিত করলেন আর হযরত উবাই ৱা, তিন রাকাত বিতির পড়াতেন। (আব্দুর রাযযাক: ৭৭২৭)


হাদীসটির স্তর : সহীহ, মাউফূক। ইমরান বিন মুসা ব্যতীত এ হাদীসের রাবীগণ সকলেই বুখারী-মুসলিমের নির্ভরযোগ্য রাবী। আর ইমরান বিন মুসা নির্ভরযোগ্য। (আল কাশেফ: ৪২৭৭) এ হাদীসের ভিত্তিতে প্রমাণিত হয় যে, রমাযান মাসে বিতির নামায জামা'আতে পড়া উত্তম

হযরত আতা রহ. থেকে সহীহ সনদে বর্ণিত আছে যে, তিনি লোকদেরকে
বিতিরসহ ২৩ রাকাত নামায আদায় করতে দেখেছেন। (ইবনে আবী শাইবা: ৭৭৭০)

সারসংক্ষেপ : হযরত আতা বিন আবি রবাহ রহ. শতাধিক সাহাবায়ে কিরামের সাহচার্য লাভ করেছেন এবং তাঁদের থেকে দ্বীন শিখেছেন। সুতরাং হযরত আতা রহ. যে সকল মানুষদেরকে ২০ রাকাত তারাবীহ'র সাথে ঐ জামাতে তিন। রাকাত বিতির পড়তে দেখেছেন তাঁরা সাহাবায়ে কিরাম এবং জ্যেষ্ঠ তাবিঈগণ। তাদের আমল ছিলো বিতির নামায তারাবীহ'র সাথে জামাতে আদায় করা। অবশ্য কেউ যদি জামাতে না গিয়ে একাকী তারাবীহ পড়ে তাহলে সে বিতিরও একাকী পড়তে পারে। তারাবীহ এবং বিতির উভয়টিই রমাযান মাসে জামাতে পড়া উত্তম হবে।

সহীহ হাদীছ দ্বারা তারাবীর নামায বিশ রাক'আতের প্রমাণ!! 20 rakat taraweeh hadith.

Image
১. বুখারী শরীফ ১ম খণ্ড ২৬৯ নং পৃষ্ঠাতে আছে, রমযান শরাফের কোন এক রাতে উমর রা. মসজিদে নববীতে তাশরীফ নিয়ে যান । অতঃপর দেখেন মসজিদে কোন কোন মানুষ একা একা তারাবীর নামায আদায় করছেন। আবার বিভিন্ন স্থানে ছোট ছোট জামাত হচ্ছে। তিনি চিন্তা করলেন, সকল নামাযীকে এক ইমামের পিছনে একত্র করে দেয়া উচিত। তখন তিনি সকল মুসল্লিকে উবাই ইবনে কা'ব রা, এর পিছনে নামায পড়তে হুকুম দেন। হাদীছের রাবী (বর্ণনাকারী) আব্দুর রহমান ইবনে আব্দুল বারী রহ. বলেন, আমি উমর রা. এর সাথে অন্য একরাতে মসজিদে গিয়ে দেখলাম সমস্ত মুছল্লি উল্লেখিত ইমামের পিছনে (জামা'আতের সাথে তারাবীর) নামায পড়ছেন।


২. আস সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকী ২য় খণ্ড ৪৯৬ নং পৃষ্ঠাতে আছে, সাহাবী হযরত সায়েব ইবনে ইয়াযীদ রা. বলেছেন, তারা (সাহাবা ও তাবেঈগণ) উমর ইবনুল খাত্তাব রা. এর যুগে রমযান মাসে (তারাবীর নামায) বিশ রাক'আত জামা'আতের সাথে পড়তেন। তিনি আরো বলেছেন, তাঁরা শতাধিক আয়াতবিশিষ্ট সুরসমূহ পড়তেন এবং উছমান ইবনে আফফান রা, এর যুগে দীর্ঘ নামাযের কারণে তাঁদের কেউ কেউ লাঠির উপর ভর দিয়ে দাড়াতেন।

৩. আস-সুনানুল কুবরা লিল বাইহাকী ১/২৬৭-২৬৮, মা'র…

জিন ধরা একটি মেয়ে,জিন থেকে বাঁচতে করণীয়

Image
জিন ধরা একটি মেয়ে, জিনের ক্ষতি  থেকে বাঁচতে করণীয়!


জিন পৃথিবীতে আছে তা কোরআন আমাদের জানিয়ে দিয়েছে।শয়তান জিনদের থেকে।জিনের অস্তিত্বের উপর বিশ্বাস স্থাপন করা ঈমানের একটি অংশ।যদি কেউ জিনের অস্তিত্বকে অস্বীকার করে তাহলে সে কাফের হয়ে যাবে।জিনকে আল্লাহ মানুষের শিরা উপশিরায় চলার ক্ষমতা দিয়েছেন।

জিনদের মধ্যে একটি জাত আছে যাদের পরী বলে।এরা মানুষের সাথে যৌনমিলন করতে পছন্দ করে।জিন বিভিন্ন ধরণের আকৃতি ধারণ করতে পারে।জিন আগুনের তৈরী।

জিনদের মধ্যে মুসলিম ও আছে অমুসলিম ও আছে।জিনদের মধ্যে ভালোও আছে খারাপ ও আছে।খারাপ জিনগুলো প্রচুর বদমাশ। এরা মানুষকে খুব জ্বালায়।এবং গায়ে ভর করে উল্টা পাল্টা আচরণ করায়।

জিন ভর করা একটি মেয়ে দেখেছিলাম।ঢাকা সফরে গিয়েছিলাম।একবার বাইতুল মোকাররম মসজিদের পাশে গিয়েছিলাম।আমি জানতাম না যে সেখানে বাইতুল মোকাররম অবস্থিত।ইশার নামাযের সময় হলে চাচাতো ভাইকে বললাম নামায পড়তে হবে।মসজিদ আশেপাশে কোথায় আছে।চাচাতো ভাই বললো কাছেই বাইতুল মোকাররম। আমি খুব অবাক হলাম।

বইয়ের পাতায় পড়েছি।আর ছবি দেখেছি।সামনে থেকে কখনো দেখিনি।খুব আনন্দ অনুভব করলাম।যাক একটা মনের আশা পূরণ হলো।বাইতুল মোকাররম মসজিদে গে…

কম্পিউটার হার্ডওয়্যার পরিচিতি

ক) সিস্টেম ইউনিট (System Unit):

সিস্টেম ইউনিটই মাইক্রো কম্পিউটার এর যাবতীয় কার্যক্রম পরিচালনা করে। এর মধ্যে মেমোরী, প্রসেসর, মাদার বোর্ড, হার্ডডিক্স ড্রাইভ, ফ্লপিন্ডিক্স ড্রাইভ, পাওয়ার সাপ্লাই ইউনিট ইত্যাদি সংযুক্ত থাকে। বর্তমানে দুই ধরনের সিস্টেম ইউনিট বাজারে চালু আছে।


খ) মনিটর (Monitor):

কম্পিউটারের ফলাফল প্রদর্শনের জন্য লিভিনের ন্যায় যে যন্ত্রটি ব্যবহৃত হয়, তাকে ডিসপ্নে ইউনিট বা মনিটর এল এর কম্পিউটার সংগঠনে অন্যতম
আবশ্যিক উপকরণ। বাহ্যিক দিক হতে মনিটর টেলিভিশনের ন্যায় হলেও এতে ব্যবহারের পার্থক্যের কারনে সাধারণতঃ  টিভির ন্যায় সকল যন্ত্রাংশ থাকে না। কিন্তু, টিভির তুলনায় এর তথ্য ৰা চিত্র প্রদর্শন ক্ষমতা  তুলনামূলকভাবে নিখুঁত হয়।

পর্সোনাল কম্পিউটারের জন্য বাজারে বিভিন্ন সবিধা সম্বলিত (যেমন,মাল্টিমিডিয়া ব্যবহারের সুবিধা বা টিভি-র ন্যায় বিভিন্ন চ্যানেল  প্রদর্শনের সুবিধাসহ) এবং বিভিন্ন  আকারের (যেমনঃ ১৫, ১৭ইঞ্চি... আকারের) মনিটর পাওয়া যায়। তবে, পার্সোনাল কম্পিউটারে ব্যবহৃত অধিকাংশ মনিটরের কানে তথ্য প্রদশনে ৮০-অক্ষর বিশিষ্ট ২৫টি লাইন ব্যবস্থা থাকে।

গ) কি বোর্ড (Key-board):

কম্পিউট…