(পর্ব : ১) কিছু মহান ব্যাক্তি যাদের সম্পর্কে জানা উচিত

 ইবনে সিনা








মুসলমানদের গৌরব.....ঙ্গান সাধনা ও অধ্যাবসায়ের মধ্য দিয়ে জীবন কাটিয়ে দেওয়া,অসীম ধৈর্য্য ও একাগ্রতার অধিকারী,সকল বিষয়ে অসীম ঙ্গানের অধিকারী স্মরনীয় ব্যাক্তি ইবনে সিনা। 

৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে তুর্কিস্থানের বিখ্যাত শহর বোখারার নিকটবর্তী আফসানা নামক গ্রামে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। মাত্র ১০ বছর বয়সেই পবিত্র কোরঅান মুখস্থ করে ফেলেন।তাঁর তিনজন গৃহশিক্ষক ছিলেন।মাত্র  ১৭ বয়স বয়সেই সকল  ঙ্গান লাভ করেন।বিখ্যাত দার্শনিক আল্ না ' তেলী'র নিকট তাঁকে দেওয়ার মতো কোনো ঙ্গান অবশিষ্ট ছিল না।এরপর তিনি ইবনে সিনা কে নিজের স্বাধীন মতো  গবেষণা দেন।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে তিনি বিঙ্গান,দর্শন,অর্থনীতি,রাজনীতি,গনিত,জ্যামিতি,ন্যায়শাস্ত্র,চিকিৎসা, কাব্য,সাহিত্য প্রভৃতি বিষয়ে অসীম ঙ্গানের অধিকারী হন।২১ বছর বয়সে 'আল মজমুয়া' নামক  বিশ্বকোষ রচনা করেন।এরপর তার খ্যাতি চারদতকে ছড়িয়ে পড়ে। বিভিন্ন দেশের রাজা তাকে তাদের রাজ দরবারে পেতে চায়।ঘটনাচক্রে তিনি ইস্পাহানের শাসনকর্তা আলা-উদ-দোলার রাজনৈতিক আশ্রয় এ চলেযান।এখানে তিনি ঙ্গান চর্চার ভাল সুযোগ পান এবং বিখ্যাত গ্রন্থ 'আশ্ শেফ' 'আল কানুন' এর অসমাপ্ত লেখা শেষ করেন।

এ মনীষী বিঙ্গানের প্রায় সকল শাখায় শতাধিক কিতাব রচনা করেছেন। এগুলোর মধ্যে  আল্ কানুন, আশ্ শেফা, আরযুযা ফিত তিব্ব,লিসানুল আরব,আল্ মজনু উল্লেখ্যযোগ্য। আল কানুন কিতাবটি সেই সময়ে চিকিৎসা  বিঙ্গান এ বিপ্লব এনে দিয়াছিল।কিতাবটি ইংলিশ, হিব্রু, ল্যাটিন প্রভৃতি ভাষায় অনুদিত হয় এবং ইউরোপ  এর চিকিৎসা বিদ্যালয় গুলাতে পাঠ্যপুস্তক এর অন্তর্ভুক্ত হয়।

তিনি মানুষের কল্যাণ ও  ঙ্গান বিঙ্গান এর উন্নতির জন্য আজীবন সাধনা করেছেন।১০৩৭ খ্রীস্টাব্দে এই মহান মানব শেষ  নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

এক সময় মুসলিমরা পৃথীবিতে ঙ্গান বিঙ্গান এর শীর্ষে ছিল।কিন্তুু বর্তমানে আমরা আমাদের ঐতিহ্য ভুলে, ঙ্গান বিঙ্গান চর্চা বাদদিয়ে করছি অন্যের দাসত্য।আমাদের ইবনে সিনার মত বড় বড় মনীষীদের জীবন সম্পর্কে  জানতে হবে,তাদের জীবন থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে জীবন আলোকিত করতে হবে......
[Enformation collection : World Famous The 100 A Ranking of Most Influential Person in History
MICHAL H. HEART]

Post a Comment

0 Comments