পর্ব(২) মঙ্গল গ্রহ, মঙ্গল অভিযান, বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা (মঙ্গল অভিযান)

মঙ্গল অভিযান



বলা যায় প্রায় ১৬০০ খ্রিস্টাব্দ থেকে মানুষ মঙ্গলে এ যাওয়ার চিন্তাভাবনা করছে।এরই ধারাবাহিকতায় ১৯৭১ সালে প্রথম "মার্চ ২" ও "মার্চ ৩" নামক রোবট  মঙ্গলের উদ্দেশ্যে পাঠানো  হয়।কিন্তু রোবট ২ টি মঙ্গলের মাটি স্পর্শ করার সাথে সাথেই বিস্ফোরিত হয়।

যদিও  মঙ্গল অভিযানের প্রায় অর্ধেকের বেশিই সফল হয়নি, তবু মানুষ থেমে থাকেনি।
এরপর ১৯৭৬ সালে ‘ভাইকিং ১’ নামক ল্যান্ডার পাঠানো  হয় মঙ্গলে।এই মিশনে নাসা সফল হয় এবং এর মাধ্যমে পৃথীবিবাসী মঙ্গলকে অত্যন্ত কাছ থেকে দেখার সুযোগ পায়।

এরপর থেকে মঙ্গলে ধারাবাহিক ভাবে বেশকিছু সফল অভিযান চালানো হয়।"ভাইকিং ১" এরপর ‘সজনা’,'স্প্রিট',‘অপরচুনেটি’ মঙ্গলের মাটিতে অবতরণ করে।এসব রোবট মঙ্গলে ঘুরে ঘুরে বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করেছে এবং পৃথীবিতে প্রেরণ করেছে।

সবশেষ নাসা মঙ্গলে ‘কিওরিসিটি’ নামের একটি রোবট  পাঠায় যা মঙ্গলে প্রায় ১৩ বছর ছিলো। এই রবটটিতে শক্তির জন্য সোলার  এর পরিবর্তে নিউক্লিয়ার জেনারেটর ব্যাবহার করা হয়েছিল।কিন্তু স্প্রিট, অপরচুনেটি এবং কিওরিসিটি এই ৩টি রোবট মিলে পুরো মঙ্গলে মাত্র ৪১ কিলকিলোমিটার হেটেছিল। রোবটগুলো এতদিনে মানুষের কাছে যে তথ্য প্রেরন করেছে তা ছিল গবেষকদের কাছে অমুল্য রতন।

সংগৃহিত তথ্যের বিশ্লেষণ করে গবেষকরা মঙ্গলের সাথে পৃথীবির যে মিল খুজে পেয়েছে তা থেকে তারা এখন নিজেরাই মঙ্গলে গিয়ে গবেষণার কথা চিন্তা করছে।এমনকি তারা ওখানে স্থায়ী ভাবে বসবাসের জন্য শহর নির্মানের চিন্তা করছে।

কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে.....
যে গ্রহের শীতকালিন উষ্ণতা  -১০০°, যে গ্রহে প্রায়শই ধুলি ঝর  হতে দেখা যায়, যেখানে খাবার  পানি থাকার সম্ভাবনা নাই বলা যায়, যেখানে বায়ুর স্তর খুব পাতলা সেখানে মানুষ.....
 কিভাবে বেঁচে থাকবে?
এত বিশাল দূরত্ব অতিক্রম করে মানুষ কিভাবে যাবে?
কয়জন যাবে?
কোথায় থাকবে?
কি খাবে?
ইত্যাদি প্রশ্নের উত্তর জানতে....
চোখ রাখুন  : (পর্ব : ৩) মঙ্গল গ্রহ, মঙ্গল অভিযান, বিভিন্ন সমস্যা   ও সম্ভাবনা (.................) [Comming soon]
পর্ব -১ দেখতে ক্লিক করুন :পর্ব(১) মঙ্গল গ্রহ, মঙ্গল অভিযান, বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা .. . (মঙ্গল)

Post a Comment

0 Comments