পর্ব(১) মঙ্গল গ্রহ, মঙ্গল অভিযান, বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনা .. . (মঙ্গল)

সেই প্রচীনকাল থেকেই আকাশ মানুষের অন্যতম আগ্রহের বিষয়।আকাশ সম্পর্কে জানার প্রবল ইচ্ছা মানুষকে সন্ধান দেয় বিভিন্ন গ্রহ নক্ষত্রের, যা আগ্রহী মানুষকে আরও আগ্রহী করে তোলে। সেই আগ্রহই মানুষকে দিয়েছে মহাকাশ সম্পর্কে হাজারো বিষ্ময়কর তথ্য। সংগ্রহকৃত এই তথ্যের উপর ভিত্তি করেই এই বিষ্ময়কর প্রাণী মানুষ আজ চাঁদ জয়করে মঙ্গল জয়ের পথে।

মঙ্গল গ্রহ


দূরত্বের দিক দিয়ে সৌরজগতের চতুর্থ গ্রহ হচ্ছে মঙ্গল গ্রহ।গ্রহটি পৃথীবির সাথে অনেক দিক থেকে সাদৃশ্যপূর্ণ। একে লাল গ্রহ বলা হয়।কারন পৃথীবি থেকে একে অনেকটা লাল দেখায়।এর ব্যাসার্ধ্য পৃথিবীর অর্ধেক,ভর প্রায় ভর পৃথিবীর এক দশমাংশ,ঘনত্ব প্রায় পৃথীবির কাছাকাছি। এর ত্বক অসংখ্য খাদ, আগ্নেয়গিরি, মরুভূমি এবং মেরুদেশীয় বরফ নিয়ে গঠিত।

সূর্য থেকে এর দূরত্ব  ২২৭,৯৩৯,১০০ কিলোমিটার, সূর্যকে একবার প্রদক্ষিণ করতে সময়লাগে ৬৮৬.৯৭১ পার্থিব দিন,এর গড় তাপমাত্রা -৫০° সেলসিয়াস,নিজ অক্ষ একবার প্রদক্ষিন করতে সময় লাগে ২৪.০৭৭ ঘণ্টা। ফোবোস ও ডিমোস নামে এর ২ টি উপগ্রহ রয়েছে।

মঙ্গল গ্রহ নিয়ে বর্তমান মহাকাশ গবেষকদের এতো আগ্রহের অন্যতম হলো এতে জল থাকার সম্ভাবনা।আর জল হচ্ছে প্রাণ বিকাশের পূর্বসর্ত।এর অনেক নমুনা রয়েছে যেগুলি দেখে গবেষকেরা ধারনা করছেন যে এতে জল আছে বা এখনো  থাকতে পারে।

"২০০৭ খ্রিষ্টাব্দের মার্চ মাসে নাসা এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, মঙ্গলের দক্ষিণ মেরুতে যে পরিমাণ বরফ রয়েছে তা গলিয়ে দিলে সমগ্র গ্রহটি পানিতে ডুবে যাবে এবং এই জলভাগের গভীরতা হবে প্রায় ১১ মিটার (৩৬ ফুট) হবে।"
(wikipedia)

মঙ্গলে জল থাকার সম্ভাবনা রয়েছে বলেই এতে প্রাণ থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।ধারনা করা হয় যে এখন এতে প্রাণ না থাকলেও পূর্বে হয়তবা ছিল।এতে রয়েছে ক্ষীণ বায়ুমণ্ডল ও  পাহাড়।এমনকি  এর  ঋতু পরিবর্তনও রয়েছে।
বিভিন্ন  সময়ে মঙ্গলে বিভিন্ন রোবট পাঠানো হলেও গবেষকরা এখন মানুষ পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে।.
.....................(চলমান)

Post a Comment

1 Comments