ঈদুল ফিতরের নামাজের নিয়ম



**********************************সবাইকে অগ্রিম ঈদ মোবারক*******************************

ঈদের নামাজ বছরে পড়তে হয় মাত্র ২ বার,  ফলে অনেকেই আমরা এর নিয়মকানুন গুলিয়ে ফেলি । মূলত অজ্ঞতার

কারনে বিব্রত হতে হয়  অতিরিক্ত ৬টি তাকবীর নিয়ে। যাই হোক মনোযোগের সহিত পড়ুন তবে আর ঝামেলা হবে না

আশা করা যায় ।

১। প্রথমে নিয়াত ( বাংলায়ঃ আমি আল্লাহর ওয়াস্তে কিবলামুখী হইয়া ঈদ-উল-ফিতরের ওয়াজিব নামায ছয় তাকবিরের

সাথে ইমামের পিছনে আদায় করিতেছি ) করে

২। তাকবীর (আল্লাহু আকবর) বলে তাহরিমা বাঁধতে হবে ইমামের সাথে (সাধারন নামাজ) ।

৩। এরপর নীরবে ছানা (সুবহানাকা…) পাঠ করতে হবে। (সাধারন নামাজ)

৪। এরপর ইমাম তিনবার উচ্চঃস্বরে তাকবীর বলবে। প্রত্যেকবার তাকবীর বলবার সাথে সাথে কানের লতি পর্যন্ত হাত

তুলতে হবে।প্রথম দুইবার হাত নীচে ছেড়ে দিতে হবে আর তৃতীয়বার হাত বাঁধতে হবে।

৫।  অতঃপর ইমাম উচ্চঃস্বরে সুরা ফাতিহা অন্য কোন সুরা বা আয়াত পাঠ করবেন। পরে

৬। দ্বিতীয় রাকায়াতের শেষে রুকুতে যাওয়ার আগে ইমাম আবার যখন তিনবার তাকবীর পাঠ করবেন।

তিনবারই হাত ছেড়ে দিতে হইবেহাত  বাঁধা যাবে না এবং এ অবস্থাতেই তাকবীর(আল্লাহু আকবার) বললে রুকুতে যেতে হবে।

৭।  এরপর সাধারন নামাজের মতোই ইমাম নামাজ শেষ করবেন।

তাহলে আমরা দেখলাম সাধারন ভাবেই নামায শুধুমাত্র ৩+৩=৬ বার তাকবীর (আল্লাহু আকবার) টা অতিরিক্ত ।

*** প্রথম রাকায়াতে প্রথম দুইবার ছেড়ে ৩য় বার হাত বাঁধা (কারন সূরা ফাতিহা ও অন্য কোন সুরা বা আয়াত পাঠ করতে হবে) ।

*** দ্বিতীয় রাকায়াতে ৩বারই হাত ছেড়ে দিতে হবে (কারণ তা পড়া হয়ে গেছে) ।

জুম্মার নামাজের আগে খুতবা পাঠ করা হয়। কিন্তু ঈদের নামাজের শেষে খুতবা পাঠ করা হয়।

Post a Comment

0 Comments