এমন লিংক আছে ক্লিক করলেই ফোনের নিয়ন্ত্রণ চলে যাবে হ্যাকারদের নিয়ন্ত্রণে!

আমরা কম বেশি অনেকেই জানি ফিশিং লিংক দিয়ে আইডি হ্যাক করা যায়। যেমন হ্যাকাররা বিভিন্ন মাধ্যমে ফিশিং লিংক সেন্ড করে যেইটা দেখতে ওরিজিনাল সোশ্যাল লিংক এবং একাউন্টের মত মনে হলেও কিন্তু সেইটা হ্যাকারদের তৈরি করা সাইট, যেটা অনেকেই বুঝতে পারেনা।

hacking

আর এখানে যদি আপনার আইডি পাসওয়ার্ড দেন তাহলে সেটি চলে যাবে হ্যাকারের কাছে। আমরা ৯৫℅ এর বেশি মানুষ আসলে জানি না যে এই লিংক দিয়ে আরও কতকিছু করা সম্ভব সো বন্ধুরা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করবো যে শুধু আইডি পাসওয়ার্ড হ্যাক হওয়া ছাড়াও আরও কতকিছু করা সম্ভব আমরা যারা অনলাইনে ছোটবড় এবং কমবেশি কাজ করে থাকি সকলেরই জানা প্রয়োজন।

বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া একাউন্ট হ্যাকঃ

আমরা প্রায় শুনে থাকি যে হ্যাকার মেসেঞ্জারে বা স্টাটাস এর মাধ্যমে বিভিন্ন লভনীয় ওফার দেখিয়ে ওই লিংকে ক্লিক করে ঢুকার কথা বলবে এবং এখানে ফেসবুক বা অন্য সোশ্যাল মিডিয়ার আইডি পাসওয়ার্ড দেওয়ার অপশন আসবে আর আপনি এখানে ভুল বাসতো তথ্য দিলেই সেটা চলে যায় হ্যাকারের কাছে।

জিপি এস লোকেশন হ্যাক হওয়ার কারণঃ

আপনারা হয়তো অনেকেই জানেননা  লিনাক্স ব্যবহার করার মাধ্যমে এইরকম বিভিন্ন সাইট তৈরি করে হ্যাকাররা সাইটের লিংক তাদের টার্গেট করা মানুষের কাছে পাঠায়ে   ক্লিক করাতে পারলেই ওই মুহূর্তের জিপিএস লোকেশন জানা যায়। আরও তখন সে চলাফেরা করছে কিনা এক জায়গায় আছে সেটার তথ্য এবং ডিভাইসের সকল তথ্য যানা যায়।

যে কারো ফোনের ফ্রন্ট ক্যামেরা হ্যাকঃ

অনেকেই হয়তো জানেনা কালি লিনাক্স ব্যবহার করে অনেক হ্যাকার এমনভাবে লিংক তৈরি করে যেটা দেখতে মনেহয় যেকোনো সাধারণ ওয়েবসাইটের মত আপনি যদি এই লিংক ক্লিক করে ঢোকেন তাহলে হ্যাকার আপনার ক্যামেরা এক্সেস নিয়ে নিতে পারে এবং প্রতিনিয়ত আপনার ছবি তুলার পারমিশন পেয়ে যাবে সেটা আপনার ফোন কিংবা কম্পিউটার যাই হোকনা ক্যনো ফ্রন্ট ক্যামেরা এটার মাধ্যমে হ্যাক করা সম্ভব হয়ে যায়। আপনি সহজে বুঝতে পারবেন না যে আপনার প্রিয় ফোন বা কম্পিউটারের ক্যামেরা এখন হ্যাকারের দখলে রয়েছে।

ফোনের সম্পূর্ণ এক্সেস হ্যাক হওয়াঃ

এমন কিছু স্ক্রিপ্ট আছে হ্যাকারদের  যেটা ব্যবহার করে (মেটাস্প্লিট) এর দ্বারা বিভিন্ন রকম ফেক পিডিএফ ফাইল, সফটওয়্যার বা ইমেজ ফাইল তৈরি করে তাদের টার্গেট করা ব্যক্তিকে পাঠায় আর এটা যদি সেই ব্যক্তি মাত্র একবারি যদি ক্লিক করে তাহলে সিস্টেমের মাধ্যমে হ্যাকার সহজেই পুরাপুরি ভাবে ঢুকে যেতে পারে। যার ফলে ম্যাসেজ, কল, ক্যামেরা থেকে শুরু করে সকল কাজ হ্যাকার তার নির্দিষ্ট স্থান থেকে সহজেই নিয়ন্ত্রণ করে ফেলতে পারে।

আপনার ফোনের বিস্তারিত হ্যাক হয়ে যাওয়াঃ

হ্যাকাররা দির্ঘদিনের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে এমন কিছু লিংক তৈরি করতে পারে যেইটা তাদের ইচ্ছামত ডোমেইন নাম দিয়ে তাদের টার্গেট কারা মানুষের কাছে পাঠায় এবং তাদের এই ফাঁদে পড়া দেবে তাঁরাই বিপদে পারবে আর এর মাধ্যমে হ্যাকার তার ফোনের নাম,মডেল, ভার্সন,আইপি,রম,ফোনের র‍্যাম,আইপি প্রভাইডার,স্ক্রিন সাইজ, ব্রাউজ করা তথ্যসহ ফোনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য নিয়ে নিতে পারে হ্যাকার। সুতরাং আমরা খুব সহজেই  বুঝতে পারলাম যে একটা সামান্য ভুলের মাধ্যমে কত বর বিপদ হতে  পারে।

শেষ কথাঃ বন্ধুরা আমি আসা করি  আপনারা সহজেই এই আর্টিকেল বুঝতে পরলেন যে সাধারন কোন ওয়েব লিংক বা কেউ কোন লভনীয়  অফার দিয়ে যদি কোন ডাউনলোড বা লগইন করতে বলে আপনারা শিওর না হওয়া পর্যন্ত ওই লিংকে ক্লিক করবেননা নাহলে আপনার সকল তথ্য হাতিয়ে নিতে পারে হ্যাকাররা।

সাবাই ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন এবং টিউনরাউন্ড এর সাথেই থাকুন। 

Comments