Home / Islam / দুর্গন্ধযুক্ত খাবার খেয়ে মসজিদে না আসা

দুর্গন্ধযুক্ত খাবার খেয়ে মসজিদে না আসা

হযরত জাবের বিন আব্দুল্লাহ রা. বলেন : রাসুলুল্লাহ সা. ইরশাদ করেছেন: যে ব্যক্তি রসুন আথবা পিঁয়াজ খায়, সে যেন আমাদের থেকে বা আমাদের মসজিদ থেকে দূরে থাকে। আর সে যেন নিজ ঘরে বসে থাকে। (বুখারী: ৮১৩) শাব্দিক কিছু তারতম্যসহ এ হাদীসটি মুসলিম, তিরমিযী, আবু দাউদ ও নাসাঈ শরিফেও বর্ণিত হয়েছে।

দুর্গন্ধযুক্ত_খাবার

হযরত জাবের রা. থেকে মুসলিম শরীফের বর্ণনায় উল্লেখ রয়েছে যে, রসূলুল্লাহ স. ইরশাদ করেন: যে ব্যক্তি এ দুর্গন্ধ গাছ থেকে খায় সে যেন আমাদের মসজিদের নিকটে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায় তা দ্বারা ফিরিশতারাও কষ্ট পায়। (মুসলিম: ১১৩৪) শাব্দিক কিছু তারতম্যসহ এ হাদীসটি বুখারী শরীফেও বর্ণিত হয়েছে।

সারসংক্ষেপঃ পিয়াজ-রসুন খেয়ে মসজিদে আসার নিষেধাজ্ঞা শুধু উক্ত দ্রব্যদ্বয়ের সাথে সীমাবদ্ধ নয়। বরং মুখের দুর্গন্ধে মানুষ ও ফিরিশতারা কষ্ট পায় এমন যে কোন জিনিসের ব্যাপারেই এ হুকুম প্রযোজ্য হবে। কারণ, মূল উদ্দেশ্য মুসলমান কষ্ট পায় এমন কাজ থেকে অন্যদেরকে ফিরিয়ে রাখা। সুতরাং বিড়ি, সিগারেট, হুক্কা, গুল বা এ জাতীয় কোন জিনিস ব্যবহার করা অথবা গুরুত্বসহকারে মেসওয়াক ব্যবহার না করা মুখে দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে যা মানুষের জন্য পীড়াদায়ক হয় সবই এ হুকুমের আওতাভূক্ত। রসূলুল্লাহ সা.-এর উদ্দেশ্য এটা নয় যে, আমরা এগুলো ব্যবহার করবো আর মসজিদ ছেড়ে দিবো। বরং উদ্দেশ্য হলো: মসজিদে নিয়মিত আসবো আর যেসব জিনিসের দ্বারা মানুষ কষ্ট পায় তা ছেড়ে দিবো। 

About Md Shamim Hosen

Check Also

সুদ, রিবা,

সুদের নিন্দা – ‘রিবা’ সুদের ব্যাপারে হাদীস

মারাত্মক খারাপ কার্যগুলোর মধ্যে সুদের লেনদেনও অন্তর্ভুক্ত। এই খারাপ কার্যটি বর্তমানে এমনভাবে ব্যাপকতা লাভ করিয়াছে …